ছেলেদের বউ হিসাবে কোন ধরনের মেয়ে উপযুক্ত?

ছেলেদের বউ হিসাবে কোন ধরনের মেয়ে উপযুক্ত এই বিষয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি বিভন্ন ধরণের মতামত ব্যক্ত করছেন আমরা শুধু সেই মতামতগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরছি

বউ হিসাবে কোন ধরনের মেয়ে উপযুক্ত?

ছেলেদের বউ -shusthodeho.net

১. বউ হিসেবে কেমন মেয়ে ভাল হবে তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আমি নিজে কেমন তার উপর।তবে দেখা যায় যে মেয়ের মা ভাল গুনের অধিকারী হয় সে মেয়ে ভাল বউ হয়। যে মেয়ে আমাকে পুরাপুরি বুঝতে পারবে এবং আমার ভালবাসার প্রতি বিশ্বস্ত থাকবে সেই মেয়ে বউ হিসেবে ভাল হবে…।শেষ কথা হচ্ছে আমি যদি তাকে রানীর মত সন্মান করি তবে সে আমায় রাজার মত সন্মান করবে.

২. সুন্দর চেহারার চেয়ে সুন্দর মন আর সত চরিত্র বেশি জরুরি। তবে সুন্দর চেহারা হলে সোনায় সোহাগা। একইসাথে সৎ বংশও জরুরি। তবে এসব কিছুর আগে এর জন্য নিজেকেও উপযুক্ত করার দরকার। তবে সংসারে সুখী হতে হলে মেয়ের পরিবার হতে হবে ছেলের পরিবার হতে আথির্কভাবে দুর্বল।

৩. সকল পুরুষ এর ই উচিৎ একটি ইসলামিক পরিবারের ধা‌‌‌র্মিক মেয় কে বিয়ে করা। একটি ধার্মিক মেয় ই পারে একটি পুরুষ এর জীবনে পরিপূর্ন শান্তি এনে দিতে।

৪. মেয়ের মধ্য চারতি গুন থাকতে হবে। ১) দ্বীনদার হতে হবে ২) ভাল বংশের হতে হবে ৩)সম্পদশালী কিনা ৪) মেয়ে সুন্দর কিনা তা দেখতে হবে। তবে দ্বীনদার হলে ভাল হয়।

৫. এমন একজনকে বউ করবেন, যে আপনাকে বুঝবে, আপনাকে ভালোবাসবে, অকারনে রাগ করবে না কিন্তু অভিমান করবে যাতে করে আপনি অভিমান ভাঙ্গাবেন… আপনার খুব খুব খেয়াল রাখবে এমন একজন মেয়ে বউ হিসেবে উপযুক্ত।

৬. বউ হিসাবে সেই মেয়েই সবচেয়ে উপযুক্ত – যে মেয়ে স্বামীর সঠিক সিদ্ধান্তে তার আনুগত্য করে কিন্তু স্বামী ভুল করলে তার ভুল ধরিয়ে দেয়।

কেমন নারীকে বিয়ে করা উচিত

কেমন নারীকে বিয়ে করা উচিত

ছেলেদের বউ -shusthodeho.net

বিবাহের ক্ষেত্রে এমন নারি নির্বাচন করবে যার মধ্যে ধার্মিকতা ও আমল আখলাকের ক্ষেত্রে স্বামীর চেয়ে উত্তম। এতে সে নারী অর্থ স¤পদের ক্ষেত্রে স্বামী সমতুল্য না হোক তাতে কিছু যায় আসেনা, নারীর চেহারা গোলাকার হলে ভালো হয়। গোলাকার ও লম্বাকৃতির চেহারা সবই আল্লাহর সৃষ্টি। তবে গোলাকার চেহারার নারীর কিছু অতিরিক্ত বৈষিষ্ট থাকে। যা সাংসারিক জীবনে সুখের সৃষ্টি করে। তদ্রুপভাবে স্ত্রী দূরের বংশের হওয়াটা বেশি উপকারী। কারণ নিকটাত্মীয় অর্থা চাচাতো, ফুফাতো, মামাতো, খালাতো বোন ইত্যাদি আপন আত্মীয়ের মধ্যে দূরের রূরের তুলনায় ভালোবাসা ও মহব্বত কম হয়ে থাকে। এদের থেকে যে সন্তান জন্মগ্রহণ করে সাধারণত তারা মেধা শক্তি ও জ্ঞান গরিমায় দুর্বল হয়ে থাকে। কখনও কখনও বিকলাঙ্গ বা বিভিন্ন জটিল রোগের শিকার হয়ে থাকে। এজন্য যথা সম্ভব দূরের কোন নারীকেই বিবাহ করা উচিত। কেননা, দূরের আত্মীয়দের সাথে মহব্বত ভালোবাসা তীক্ষ্ণ হয়ে থাকে। আর সন্তানাদিও জ্ঞান বুদ্ধির দিক দিয়ে তীক্ষ্ণ হয়ে থাকে। সাথে সাথে নতুন করে একটি বংশের সাথে স¤পর্ক করার দ্বারা বংশধারাও বৃদ্ধিপায়। দ্বীনি ও দুনিয়াবী উভয় শিক্ষায় শিক্ষিত পাত্রীকেই বিবাহ করা চাই। একেবারে মূর্খ জাহেল অশিক্ষিত নারী বিবাহ না করাই উত্তম। নারী মোটা হওয়া বা চিকন হওয়া এটা ছেলের পছন্দের উপর নির্ভর করবে। কারো পছন্দ মোটা মেয়ে আবার কারো পছন্দ চিকন ও হালকা পাতলা মেয়ে। তবে অধিকাংশ লোকজন হালকা পাতলা নারীকেই বেশি পছন্দ করে থাকে। পক্ষান্তরে আরবের লোকেরা মোটা পাত্রীকেই বেশি পছন্দ করে। এক হাদীসে নবী করিম (সা.) বলেন- তোমরা এমন মহিলাকে বিবাহ কর যার থেকে বেশি সন্তান জন্ম নেয়। প্রশ্ন হতে পারে যে বিবাহের আগেই অধিক সন্তান হওয়ার নিদর্শন কি ? এ বিষয়টি বুঝতে হলে উক্ত মেয়ের সহোদরা বোনের কতগুলি সন্তান অথবা উক্ত মেয়ের কতগুলি বোন রয়েছে। কিংবা তার ভাইয়ের সন্তানাদি কতজন। তাদের সন্তানাদি বেশি হলে আশা করা যায় যে এ মহিলার থেকেও অধিক সন্তানাদি হবে। বিবাহের ক্ষেত্রে নির্বাচিতা নারী যেন বাঁজা না হয়। বাঁজা বলা হয় ঐ নারীকে যার সন্তান জন্ম দেয়ার যোগ্যতা নেই।

কেমন নারীকে বিবাহ করা উচিত না

কেমন নারীকে বিবাহ করা উচিত না

ছেলেদের বউ -shusthodeho.net

জ্ঞানীরা বলেন, নিন্মোক্ত মেয়েদেরকে বিবাহ না করা উত্তম। এক। যে সকল মহিলা সব সময় বিরক্ত হয়ে থাকে এবং সবক্ষেত্রেই যে সব মহিলা হা-হুতাশ করে। কিংবা সবসময় যে মহিলা অসুস্থ থাকে। এসব মেয়েদেরকে বিবাহ করলে সাংসারিক জীবনে কোনো কাজেই বরকত পাওয়া যায়না দুই। উপকার করে খোঁটাদানকারী মহিলা। তিন।প্রথম স্বামীর প্রতি আসক্ত মহিলাকে বিবাহ করা থেক বিরত থাকতে হবে । চার। যেসব মহিল সর্বক্ষণ সাজগোজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে। পাঁচ। সবসময় অশ্লীল ভাষায় কবা কাজীকারী মহিলাকে বিবাহ করবেনা। ছয়। বাঁচাল বা প্রলাপী মহিলাকেও বিবাহ করতে নেই। সাত। বৃদ্ধ মহিলার সাথে সহবাসে যেহেতু যুবকদের মানসিক দুর্বলতা ও অলসতা সৃষ্টি হয় সেহেতু বৃদ্ধাদেরকে বিবাহ করবেনা। জ্ঞানীরা বলে থাকেন যে যুবতীদেরকে বিবাহ করে সহবাস করার দ্বারা জান তথা ভ্রুণ সৃষ্টি হয়। পক্ষান্তরে বৃদ্ধাদেরকে বিবাহ করে সহবাস ক্রয়ার দ্বারা অনিষ্টতা বৃদ্ধি পায়। সে সাথে অলসতা ও দুর্বলতা দেখা দেয়। মাওলানা মিরাজ রহমান

দেরিতে বিয়ে হলে যে ৩টি মানসিক সমস্যায় ভোগেন নারীরা
দেরিতে বিয়ে হলে যে ৩টি মানসিক সমস্যায় ভোগেন নারীরা

ছেলেদের বউ -shusthodeho.net

১. একাকীত্ব থেকে বিষণ্ণ হয়ে যাওয়া : সমবয়সী সকল বোন বা বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে গেছে, আর স্বভাবতই বিয়ের পর সকলেই নিজের পৃথিবী নিয়ে একটু বেশিই ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এক্ষেত্রে যার বিয়ে হয়নি, তিনি হয়ে পড়েন একলা। প্রিয় বোন বা বান্ধবীদের খুব একটা কাছে পান না, কাটানো হয় না ভালো সময়। সবমিলিয়ে বিষণ্ণ হয়ে পড়েন, আর সেই বিষণ্ণতা থেকেই মনের মাঝে জন্ম নেয় হতাশা ও শূন্যতা। আর এই বোধ থেকে বের হয়ে আসার সেরা উপায় হচ্ছে নতুন বন্ধু-বান্ধব তৈরি করা, যার কাছে আপনার জন্য পর্যাপ্ত সময় আছে।

২. নিজেকে অযোগ্য মনে করা : সমবয়সী সকলে নিজের জীবন সঙ্গী পেয়ে গেছেন, আপনি হয়তো বারবার চেষ্টা করেও পারছেন না। হয়তো প্রেম সফল হয়নি কিংবা পরিবার থেকে চেষ্টা করেও ফল হচ্ছে না। বিশেষ করে আমাদের দেশে পাত্রী দেখাবার প্রক্রিয়াটা খুব অপমানজনক। এক্ষেত্রে প্রত্যাখ্যাত হবার পর নিজেকে অনেকেই অযোগ্য মনে করতে শুরু করেন। এত অযোগ্য যে, কোনো ছেলেরই তাকে পছন্দ হচ্ছে না। এমনটা ভাবা মানে অকারণেই নিজেকে ছোট করা। মনে রাখবেন, কোনো পুরুষের আপনাকে পছন্দ হয়নি মানেই আপনি অযোগ্য নন। এটা নিয়ে কষ্ট পাবার কিছু নেই। সম্ভব হলে ঘটা করে পাত্রী দেখার আয়োজনটা এড়িয়ে যান, অনেকটাই স্বস্তি পাবেন।

৩. খুব কাছের বোন বা বান্ধবীর প্রতিও ঈর্ষা হওয়া: এটাও খুব সাধারণ একটা আবেগ। আমরা মানুষ, এমনটা হতেই পারে আমাদের সাথে। খুব কাছের বোন বা বান্ধবীটি হয়তো এখন আর আপনাকে সেভাবে সময় দিতে পারেন না, নিজের সংসার নিয়েই ব্যস্ত ও সুখী। এমন অবস্থায় ঈর্ষার একটা বোধ খোঁচা দিতেই পারে আপনাকে। এক্ষেত্রে নিজেকে বিষয়টা বোঝান। প্রথমত এটা ভাবুন যে তার জীবনে মোটেও আপনার গুরুত্ব কমেনি। আর দ্বিতীয়ত, একদিন আপনারও এমন চমৎকার একজন জীবনসঙ্গী হবে, তাই মন খারাপের কিছুই নেই।

কোন ধরনের মেয়েরা সবচেয়ে ভালো স্ত্রী হয়

কোন ধরনের মেয়েরা সবচেয়ে ভালো স্ত্রী হয়

ছেলেদের বউ-shusthodeho.net

১. নির্ভেজাল মানুষ : তারা যেমন, তেমনটাই সকলের সামনে থাকেন। কোনও ভেক ধরেন না। আপনি একবার দেখেই বুঝবেন এর দোষ-গুণ কী কী রয়েছে। এরা নিজেদের দোষ ঢাকতে মিথ্যার আশ্রয় নেন না। মানুষ হিসাবেও খুব সৎ হন।

২. অসাধারণ প্রেমিকা : আদর্শ প্রেমিকা বলতে যা বোঝায় এরা তাই। ভালোবাসার জন্য আলাদা কোনও দিনের প্রয়োজন হয় না। ইনি সঙ্গে থাকলে যে কোনও দিন ভ্যালেন্টাইন্স ডে বলে মনে হতে পারে। বিয়ের পরে অনেকের ক্ষেত্রেই প্রেম-জীবন পানসে মনে হয়। কিন্তু এদের ক্ষেত্রে কথাটি একেবারে খাটে না।

৩. সৃজনশীল : আসলে সৃজনশীল মস্তিষ্কের জন্যই এরা আর পাঁচজনের থেকে আলাদা হন। জীবনে, মননে এরা খুব সৃজনশীল প্রকৃতির হয়ে থাকেন। আউট অফ দ্য বক্স ভাবতে এদের জুড়ি মেলা ভার।

৪. ন্যাকামি পছন্দ নয় : ট্রেকিংয়ে হোক বা ঘরোয়া পার্টি, এরা মহিলা হিসাবে কখনও আলাদা সুবিধা দাবি করেন না। যেখানে যেমন, সেখানে তেমন ভাবেই থাকতে পছন্দ করেন। তাই ঘুরতে বেরিয়ে বা ট্যুরে গিয়ে কখনও এঁদের নিয়ে সমস্যায় পড়বেন না।

৫. সব সময় আপনাকে আগলাবেন : এদের সামনে যদি স্বামী বা কোনও প্রিয়জনকে কেউ অপমান করেন, তবে আর রক্ষে নেই। যতক্ষণ না অপমানকারীকে মাথা নত করাচ্ছেন, ততক্ষণ খান্ত হন না। বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: যদি স্বামী হিসাবে আপনিও কখনও তাকে অপমান করার চেষ্টা করেন, তবে আপনারও একই অবস্থা হবে কিন্তু।

ছেলেরা যে ৪ টি বিষয় চায় মেয়েরা জানুক

ছেলেরা যে ৪ টি বিষয় চায় মেয়েরা জানুক

ছেলেদের বউ -shusthodeho.net

১. সাধারণত মেয়েরা কোনো ছেলের বাজে আচরণ দেখে ধারণা করে নেয় সব ছেলেরাই বুঝি এমন হয়। কিন্তু বিষয়টা এমন নয়। পৃথিবীতে কোনো মানুষই একরকম হয় না। একেকজনের আচরণ একেক রকম। একজনকে দেখে আরেকজনকে বিচার করা ঠিক নয়।

২. ছেলেরাও কষ্ট পায়। এ বিষয়টি মেয়েরা যেন মানতেই চায় না। প্রতিটি মানুষের আবেগ থাকে। ছেলেরাও ব্যতিক্রম নয়। তাই অযথা তাদের কষ্ট দিয়ে লাভ কি?

৩. মেয়েরা অনেক বেশি সন্দেহপ্রবণ হয়ে থাকে। তাদের ধারণা, ছেলেরা তাদের কাছ থেকে সবকিছু লুকায়। এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। কারণ, সবকিছু প্রতিক্রিয়ার ওপর নির্ভর করে। যখন কোনো ছেলে সত্যি কথা স্বীকার করে তখন মেয়েরা অনেক বেশি প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে ফেলে। ওই অপ্রীতিকর মুহূর্তকে এড়াতে ছেলেরাও বিভিন্ন বিষয় লুকাতে বাধ্য হয়। তাই মেয়েরা সাবধান! যদি ছেলেদের সব কথা জানতে চান, তাহলে প্রতিক্রিয়া থেকে বিরত থাকুন।

৪. পাশের বাসার আন্টি কী মনে করবে, এই আতঙ্কটা সব মেয়েদের মধ্যেই কাজ করে। আর যা ছেলেদের একদমই পছন্দ না। তাই অন্যেরা কী ভাববে সেই কথা প্রেমিকের সামনে বারবার না বলাই ভালো।

ছেলেদের বউ ছেলেদের বউ ছেলেদের বউ

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *