সুন্দর গোলাপী ঠোঁট করার জন্য কি করতে হবে

গোলাপী করার উপায়

সৌন্দর্য্যের রহস্য লুকিয়ে থাকে চুল ও ত্বকে। মেকআপে নিজেকে আড়ালে লুকিয়ে রেখে সুন্দরী হওয়ার থেকে সবাই চায় ত্বকের ন্যাচারাল গ্লো। আর মসৃন ত্বকের থেকে নরম ঠোঁট কখনও বাদ যায় না।

তাই সুন্দর ঠোঁটে মোহময়ী হয়ে উঠতে রাস্পবেরির যাদুর তুলনা নেই, প্রাকৃতিক উপায়ে নিজের ঠোঁটকে সুন্দর রাখার জন্য নারকেল তেলের সঙ্গে রাস্পবেরির মিশ্রণ প্রতিদিন লাগিয়ে রাখলে মাত্র সাত দিনে পাওয়া যেতে পারে নরম লাল ঠোঁট। ন্যাচারালি ঠোঁটে তৈরী হয় লালচে ঔজ্জ্বল্য, ঠিক লিপগ্লসের এফেক্ট আসে। একটা সহজ উপায় তৈরী করা যেতে পারে নারকেল তেল আর রাস্পবেরির একটি মিশ্রণ। মিশ্রণটি ঠোঁটে লাগালে নরম লাল আর উজ্জ্বল হয় ঠোঁট।

ঠোঁটের আকর্শনীয় ভাব

                                                                    ঠোঁটের আকর্শনীয় ভাব – shusthodeho.net



মিশ্রণটি বানানোর সহজ উপায় হল, একটি পাত্রে নারকেল তেল নিয়ে, সেই নারকেল তেল উষ্ণ করে তরল করে নিয়ে ঠান্ডা করে নিতে হবে। তার পর ঠান্ডা রাস্পবেরি সেই তেলে দিয়ে মিক্স করে নিতে হবে। তারপর সেই মিক্সচারটা ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে। এরপর লিপগ্লস ব্রাস দিয়ে ঠোঁটে লাগালে সাত দিনের মধ্যে পেতে পারেন মসৃণ সুন্দর ঠোঁট। রাস্পবেড়ি অনেক রকমের হয়, তবে শুধু লাল রঙের রাস্পবেরি ঠোঁটের সৌন্দর্য্য বাড়ায়।

রাস্পবেরির নাম দক্ষিণের দেশে তেমন পরিচিত নাম নয়, রাশিয়া, পোল্যান্ডের কিছু জায়গায় রাস্পবেড়ির ফলন হয়। লাল রঙের ঠোঁটের এই প্রাকৃতিক লিপ্সটিক সত্যিই অসাধারণ।

প্রসাধন
অপ্রয়োজনীয় প্রসাধন ঠোঁটকে শুষ্ক করে তোলে। সাময়িক সৌন্দর্যের জন্য অপ্রয়োজনীয় প্রসাধন ব্যবহার বর্জন করুন।

টুথপেস্ট
টুথপেস্ট প্রতিদিন আমাদের ঠোঁটের সংস্পর্শে আসে দু’বেলা। তাই যথাযথ টুথপেস্ট ব্যবহার না করলে আকর্ষণীয় ঠোঁট হওয়ার বদলে ঠোঁটের ক্ষতি বিরাট হতে পারে।

কালছে ঠোট লাল করার উপায় কী আছে

                                                                            ঠোঁট – shusthodeho.net



লিপস্টিক
লিপস্টিকের কারণে ঠোঁটে এ্যালার্জি ও ঠোঁটের ক্ষতি হতে পারে, তাই ঠোঁটে যে কোম্পানির লিপস্টিকের কোন পার্শ প্রতিক্রিয়া করবে না, সেটাই ব্যবহার করুন।

লিপ বাম ও চ্যাপস্টিক
ফাটা ঠোঁটের জন্য লিপবাম ও চ্যাপস্টিক প্রয়োজন। এটা কোমল, মসৃণ ও আকর্ষণীয় ঠোঁট করতে সাহায্য করে। তবে অতি সুগন্ধিযুক্ত ও রসযুক্ত চ্যাপস্টিক ব্যবহার না করাই ভাল।

সাবান
ঠোঁটের ত্বক সংবেদনশীল বলেই সাবান দেবেন না ঠোঁটে। চোখের চার পাশ এবং ঠোঁটে সাবান ব্যবহার করলে ক্ষতি হয়।

ধূমপান
ধূপপান ঠোঁটের ত্বকের ক্ষতি করে ও কালচে ভাব আনে ফলে আকর্ষণীয় ঠোঁট হারাতে হয়।

ভিটামিন বিও ভিটামিনের অভাব
ভিটামিন বি এর অভাবে ঠোঁট ফেটে যেতে পারে ও ঠোঁটের কোণে ঘা হতে পারে। পুষ্টিকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন।

লিপ বাম ও চ্যাপস্টিক
ফাটা ঠোঁটের জন্য লিপবাম ও চ্যাপস্টিক প্রয়োজন। এটা কোমল, মসৃণ ও আকর্ষণীয় ঠোঁট করতে সাহায্য করে। তবে অতি সুগন্ধিযুক্ত ও রসযুক্ত চ্যাপস্টিক ব্যবহার না করাই ভাল।

ঠোঁট সৌন্দর্যের প্রতীক। কারো ঠোঁট যদি একটু গোলাপী বর্ণের হয় তাহলে তার সৌন্দর্য বেড়ে যায় কয়েকগুণ। কিন্তু অনেকের ঠোঁটেই কালচে ভাব লক্ষ্য করা যায়। অনেকের ঠোঁট জন্মগত ভাবেই একটু কালচে হয়ে থাকে। এছাড়াও অযত্ন, অবহেলা ও কিছু বদঅভ্যাসের কারণেও ঠোঁটের স্বাভাবিক গোলাপী ভাব নষ্ট হয়ে তা কালচে হয়ে যায়। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে এবং নিয়মিত ঠোঁটের যত্ন নিলে এই কালচে ভাব অনেকাংশেই দূর করা সম্ভব। সৌন্দর্যের অনেকগুলো দিক আছে যার কোনো একটি অপূর্ণ থাকলে আপনার রূপের বিকাশ ব্যহত হয়। এমন একটি দিক হলো আপনার ঠোঁট। সেই ঠোঁটের জন্য একটু বেশি যন্ত-আত্তি চাই। যেন আপনার সৌন্দর্যের অভিব্যক্তি হয়ে উঠে আরও মোহনীয় ও আকর্ষণীয়। তাই চলুন জেনে নিই ঠোঁটের কালচে ভাব দূর করার কিছু সহজ পদ্ধতি-

জেনে নিন ঠোঁটকে সুন্দর রাখবার উপায় গুলো

                                                                             ঠোঁট – shusthodeho.net

এক. ফ্রিজে রাখা কিছুটা ঠাণ্ডা মুলতানি মাটির সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটিতে তুলা ভিজিয়ে ঠোঁটের ওপর হালকা ভাবে ঘষে দশ মিনিট পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে করে আপনার ঠোঁটের কালো ভাব কেটে যাবে।

দই. যাদের ঠোঁট জন্মগতভাবেই শুষ্ক তারা ঠোঁটে সবসময় চ্যাপস্টিক বা লিপবাম ব্যবহার করুন।

তিন. সামান্য দুধের সর বেঁটে অথবা কাঁচা দুধের উপর জমে থাকা ননী মাঝে মাঝে ঠোঁটে লাগাবেন, এতে ঠোঁট নরম থাকবে।

চার. প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে ক্লিনজিং মিল্ক বা কোল্ড ক্রিম লাগিয়ে কিছু সময় পর ভেজা তুলা দিয়ে মুছে ফেলুন। তারপর হালকা নারিশিং ক্রিম লাগিয়ে ঘুমাতে যান।

পাঁচ. ঠোঁট কখনও খুব বেশি সময়ের জন্য শুষ্ক রাখবেন না। ঠোঁটকে সতেজ রাখতে সবসময় গ্লিসারিন ব্যবহার করুন। এতে করে আপনার ঠোঁটের কোমলতা ফিরে আসবে।

সাত. সাবান থেকে ঠোঁটকে দূরে রাখুন।তবে ফেসওয়াস কিংবা ক্ষারবিহীন সাবান লাগানো যেতে পারে।

আট. সব সময় মুখের ভেতর পরিস্কার রাখুন। প্রয়োজনে মাউথওয়াশ ব্যবহার করুন।

নয়. প্রতিদিন দুধ এর সঙ্গে একটু লেবুর রস মিশিয়ে ঠোঁটে লাগান্। দেখবেন আস্তে আস্তে ঠোঁটের কালোভাব দূর হয়ে যাবে। এটা সপ্তাহে দুই বার করে ব্যবহার করলে আস্তে আস্তে কালচে ভাব দূর হয়ে যাবে।

সুন্দর ঠোঁটের অধিকারী হতে চায় সবাই।সুন্দর ঠোঁট চেহারার অনেক পরিবর্তন আনে।নিজেকে সবার মধ্যে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য দেহের বাইরের পরিচর্যার সঙ্গে দেহের ভেতরের পরিচর্যাও প্রয়োজন। কিছু অভ্যাস বা সতর্কতাই আমাদের দেবে সুস্থ, সুন্দর ও আকর্ষণীয় চেহারা।

ত্বকের ও চোখের যত্নের সাথে ঠোঁটের কিছু সতর্কতা রয়েছে। সুন্দর ঠোঁট পেতে চাইলে অবশ্যই যত্ন নেয়া প্রয়োজন।

আসুন জেনে নেই সুন্দর ঠোঁট পেতে চাইলে কী করবেন।

মধু, গাজর ও আঙুর
ঠোঁটের যত্নে নিয়মিত গাজর, আঙুর খান। আর খালি পেটে দাঁত ব্রাশ করার পর হালকা বা কুসুম গরম পানিতে (এক গ্লাস) এক চা চামচ মধু মিশিয়ে খান। এ তিনটি খাবার ঠোঁটের মসৃণতা বাড়ায়। যত বেশি পানি খাবেন, ঠোঁটে রক্ত চলাচল ততই বাড়বে। ফলে ঠোঁট লালচে দেখাবে।

ধুমপান বর্জন
ধুমপায়ী ও অতিরিক্ত এসিডিটির রোগীদের ঠোঁট কালো হয়ে যায়। তাই ধুমপান বর্জনীয়। এসিডিটির রোগীরা তৈলাক্ত, ভাজা-পোড়া খাবার কম খাবেন।

খাবার স্যালাইন
অনেকের সারা বছর ঠোঁট ফাটে। ঠোঁটের চামড়া উঠতেই থাকে। দেহে সোডিয়াম, ক্লোরিন আর পটাশিয়ামের অভাবে ঠোঁট ফাটে। শীতকালে ঠোঁট ফাটে আবহাওয়া শুষ্ক হওয়ার কারণে। তাই যাদের সারা বছর ঠোঁটের চামড়া উঠতে থাকে, তারা সপ্তাহে অন্তত একদিন বা মাসে দু’দিন খাওয়ার স্যালাইন খাবেন।

আপার লিপ
আপার লিপ বা লোয়ার লিপের লোম গজানোর ভিত্তিতে থ্রেডিং করুন। থ্রেডিংয়ের সুতা যেন অবশ্যই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকে।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *